অন্যান্যঢাকা বিভাগ

ছুটি শেষে রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

স্টাফ রিপোর্টার

অমিত হাসান ইমন ঈদুল ফিতরের তৃতীয় দিন আজ [ সোমবার ] প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন শেষে রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষেরা।(সোমবার) ২৪ এপ্রিল সকালে রাজধানীর আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, বাসে ও নিজস্ব মোটরসাইকেলে ইট-পাথরের নগরীতে ফিরছেন সবাই।

সরেজমিনে ও খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই ফিরছেন কর্মজীবীরা। ভোগান্তি ছাড়াই ফিরতে পেরে খুশি তারা। সড়ক-মহাসড়কে যানজট না থাকলেও বাড়তে শুরু করেছে গাড়ির চাপ।

পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আজ ঈদুল ফিতরের তৃতীয় দিন। অনেকেই বর্ধিত ছুটি উদযাপন করছেন প্রিয়জনদের সঙ্গে। যে কারণে রাজধানীতে ফিরে আসা যাত্রীর সংখ্যা অনেক কম।

রাজধানীর গাবতলী আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল ও বাস স্টপেজগুলোতে দেখা যায়, দূরপাল্লার বাস থেকে নামছেন যাত্রীরা। ব্যাগ নামিয়ে সিএনজি বা রিকশায় চড়ে কেউ ফিরছেন বাসায়, আবার কেউ কর্মস্থলেবাস স্টপেজে যে কথা হয় রাজবাড়ীর পাংশা থেকে ফিরে আসা মোস্তফার সঙ্গে। সরকারি একটি ব্যাংকের এই কর্মকর্তা বলেন, ঈদে বাড়ি তো যেতেই হয়। ঈদে বাড়িতে পরিবার ছাড়াও আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও পরিজনদের সঙ্গে দেখা হয়েছে। সরকার নির্ধারিত ছুটি শেষ। তাই ভোগান্তি বিবেচনায় স্ত্রী-সন্তানদের রেখেই আগেভাগে কর্মস্থলে যোগ দিতে ফিরতে হলো।

কুষ্টিয়া থেকে শ্যামলী পরিবহনে গাবতলীতে আসা যাত্রী আল-আমিন বলেন, এবারের ঈদে ভোগান্তি ছাড়াই গ্রামের বাড়ি গিয়েছিলাম। যানজট এড়াতে ঈদের চারদিন আগে বাড়িতে গিয়েছিলাম। বাবা-মা, স্বজন ও প্রিয়জনদের ছেড়ে আসতে খারাপই লাগছিল। কিন্তু কর্মস্থলে তো ফিরতেই হবে।

পঞ্চগড় থেকে হানিফ পরিবহনে চড়ে ঢাকায় ফেরা যাত্রী মুক্তারুল ইসলাম বলেন, স্বস্তিতে ফিরেছি এতেই ভালো লাগছে। সড়কে চাপ নেই।

হানিফ পরিবহনের গাবতলী কাউন্টার ম্যানেজার মোশারফ হোসেন বলেন, অনেকের ছুটি এখনো শেষ হয়নি। অনেকেই ঈদের পর তিন থেকে চারদিনের ছুটি নিয়েছেন। সঙ্গত কারণেই শুক্রবার বিকেল থেকে ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফেরা যাত্রীর চাপ বাড়বে।

গাবতলী রজব আলী মার্কেটের আলহামরা কাউন্টারে কথা হয় ম্যানেজার দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, যারা ঈদের আগে বা সরকার নির্ধারিত ছুটি উদযাপন করতে ঢাকা ছেড়েছিলেন, তারা এখন ফিরছেন। এখনো বাসে ট্রিপ আসছে না। দু’দিন পর রাজধানীতে ফেরা যাত্রীর চাপ বাড়বে।

মিরপুর ট্রাফিক বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আমিনবাজার ব্রিজ, পর্বত সিগনাল, মাজার রোড ও টেকনিক্যালে বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কোনো বাস যেন মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে যানজট সৃষ্টি না করে সেদিকে নজর রাখতে কাজ করছে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button