শিশুর জন্য খালি পায়ে হাঁটা উপকারী

ডেস্ক রিপোর্ট: হাঁটি হাঁটি পা পা, খালি পায়ে যেখানে খুশি সেখানে যা।পা সংবেদনশীল অঙ্গ। আর পায়ের পাতা সবচেয়ে বেশি সংবেদনশীল।
শিশুদের পা খুব নরম ও নাজুক থাকে। তার পায়ের সুগঠন ও সঠিক দেহভঙ্গি নিশ্চিত করতে খালি পায়ে মাটি বা ঘাসের ওপর হাঁটা উপকারী, টাইমসঅবইন্ডিয়া ডটকম’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানান, ভারতের শিশু মনোবিশেষজ্ঞ ডা. আতচারা ভেনা কাত্রামান।
খালি পায়ে হাঁটা শরীরের জন্য উপকারী। পা ২৬টি হাঁড় এবং ৩৫টি সংযোগের সমন্বয়ে গঠিত। আর এগুলোকে একত্রিত করে লিগামেন্ট।
শিশুদের পায়ের পেশি, হাঁড় ও লিগামেন্ট-এর বিকাশ ঘটতে থাকে। তাই তাদের পা অনেক বেশি নরম ও চর্বি বহুল। খালি পায়ে হাঁটলে তারা মাটি, ঘাস, কার্পেট ইত্যাদির পার্থক্য বুঝতে বিশেষজ্ঞদের মতামত
ডা. আতচারা বলেন, “শিশুর পায়ের গঠনে কোনো অসুবিধা পরিলক্ষিত হয়ে না থাকলে তাকে খালি পায়ে হাঁটতে দেওয়া ভালো।”
দেখা গেছে খালি পা মাটির স্পর্শ পেলে লোহিত রক্ত কণিকার মাত্রা বাড়ে। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অটুট রাখে।
পেশি গঠনে সহায়তা করে
ডা. আতচারা বলেন, “গবেষণায় দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শিশু খালি পায়ে হাঁটলে তার পায়ের আকার ও পেশি সুগঠিত হয় এবং দেহভঙ্গিও সুন্দর হয়।”
জন্মের সময় শিশুর পা অনেক নমনীয় থাকে। বিকাশের সময় তার হাঁড় শক্ত হয়, পেশি ও লিগামেন্ট সুগঠিত হয়। অনেক সময় খালি পায়ে হাঁটা, শিশুর পেশি গঠনের অন্যতম সহায়কা হিসেবেও কাজ করে থাকে।
চৌকস ও সতর্কতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ
শিশুর ছোট পা মাটির সংস্পর্শে আসার ফলে তার মস্তিষ্ক সংবেদনের মাধ্যমে তথ্য পায়। ফলে তার স্নায়ুবিক ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় আর দেহের ভারসাম্য রক্ষায় অভ্যস্ত হতে থাকে।
জুতা ব্যবহারে পা সুরক্ষিত থাকে ঠিকই তবে মস্তিষ্ক এমন সংবেদন থেকে বিরত থাকে। ফলে দেহের ভারসাম্য বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।
তাই শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং দেহের ভারসাম্যের সামঞ্জস্যতা বজায় রাখতে খালি পায়ে ঘাস, বালি, মাটি এমনকি কাদার ওপরেও হাঁটা ও দৌঁড়ানোর সুযোগ করে দিতে হবে, পরামর্শ সংবেদনশীলতা সৃষ্টি
শিশুরা হাত ও পা দিয়ে যে কোনো জিনিস অনুভব করার চেষ্টা করে। পায়ের তলায় ২০ হাজার স্নায়ুপ্রান্ত থাকে।
“খালি পায়ে হাঁটার মাধ্যমে শিশু অনেক কিছুর আকার বা গঠন অনুভব করতে পারবে। যা শিশুর সংবেদনশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে” বলেন, ডা. আতচারা।

